sonbahis girişsonbahissonbahis güncelgameofbetvdcasinomatbetgrandpashabetgrandpashabetエクスネスgiftcardmall/mygiftbetzula girişbetplaybetplay girişmeritkingmeritking girişmeritkingmeritking girişmeritkingmeritking girişmeritkingmeritking girişinterbahisinterbahisultrabetultrabet girişhiltonbethiltonbet girişenjoybetenjoybet girişromabetromabet girişbetciobetciobetgarbetgar girişkulisbetkulisbet girişbahiscasinobahiscasino girişbetzulabetzula girişbetplaybetplay girişinterbahisinterbahis girişultrabetultrabet girişhiltonbethiltonbet girişenjoybetenjoybet giriştrendbettrendbet girişromabetromabet girişbetciobetcio girişbetgarbetgar girişkulisbetkulisbet girişbahiscasino girişbetzulabetzula girişbetplaybetplay girişinterbahisinterbahis girişultrabetultrabet girişhiltonbethiltonbet girişenjoybetenjoybet giriştrendbettrendbet girişcasibomcasibom girişromabetromabet girişbetciobetcio girişbetgarbetgar girişkulisbetkulisbet girişbahiscasinobahiscasino girişbetzulabetzula girişbetplaybetplay girişinterbahisinterbahis girişultrabetultrabet girişhiltonbethiltonbet girişenjoybetenjoybet giriştrendbettrendbet girişromabetromabetbetciobetcio girişbetgarbetgar girişkulisbetkulisbet girişbahiscasinobahiscasino girişbetzulabetzula girişbetplaybetplay girişinterbahisinterbahis girişultrabetultrabet girişhiltonbethiltonbet girişenjoybetenjoybet giriştrendbettrendbet girişalobetalobet girişromabetromabet girişbetcio girişbetciokulisbetkulisbet girişbahiscasinobahiscasino girişroketbetroketbet girişnorabahisnorabahis girişbetzulabetzula girişbetgarbetgar girişultrabetultrabet girişteosbetteosbet girişeditörbeteditörbet girişorisbetorisbet girişceltabetceltabet girişenjoybetenjoybet girişalobetalobet girişromabetromabet girişbetciobetcio girişkulisbetkulisbetbahiscasinobahiscasino girişroketbetroketbet girişnorabahisnorabahis girişbetzulabetzula girişbetgarbetgar girişultrabetultrabet girişteosbetteosbet girişeditörbeteditörbet girişorisbetorisbet girişceltabetceltabet girişenjoybetenjoybet girişromabetromabet girişbetciobetcio girişbahiscasinobahiscasino girişroketbetroketbet girişnorabahisnorabahis girişbetzulabetzula girişbetgarbetgar girişultrabetultrabet girişeditörbeteditörbet girişorisbetorisbet girişceltabetceltabet girişenjoybetenjoybet girişalobetalobet girişkulisbetkulisbetteosbet girişteosbet girişromabetromabet girişbetciobetcio girişbahiscasino girişbahiscasinoroketbetroketbet girişnorabahisnorabahis girişbetzulabetzula girişbetgarbetgar girişultrabetultrabet girişeditörbeteditörbet girişorisbetorisbet girişceltabetceltabet girişenjoybetenjoybet girişalobetalobet girişkulisbetkulisbet girişteosbetteosbet girişbetcioalobetkulisbetbahiscasinobetgarnorabahisromabetatmbahisbetzulaultrabetjojobetjojobet güncel girişholiganbetholiganbet girişjojobetjojobet girişromabetromabet girişbetciobetcio girişroketbetroketbet girişnorabahisnorabahisbetzulabetzula girişbetgarbetgar girişultrabetultrabet girişeditörbeteditörbet girişorisbetorisbet girişceltabetceltabet girişenjoybetenjoybet girişalobetalobet girişkulisbetkulisbet girişteosbetteosbet girişbahiscasinobahiscasino girişbetciobetcio girişbahiscasinobahiscasino girişbahiscasinobahiscasinoalobetalobet girişromabetromabet girişromabetromabet girişbetgarbetgaratmbahisatmbahisorisbetorisbetroketbetroketbetnorabahisnorabahisultrabetultrabeteditörbeteditörbetaresbetaresbetbetnisbetnisgalabetgalabetkalebetkalebetprensbetprensbet
ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে ৬ আসামি গ্রেফতার। সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টসকর্মী হত্যা: প্রধান আসামি পারভেজ ওরফে কালু গ্রেফতার। সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টস কর্মীর আত্মহত্যা। সিদ্ধিরগঞ্জে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রীতি ম্যাচ ও মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত। সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭ জন গ্রেফতার, বিপুল মাদক উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ২ জন গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার। চৌধুরীবাড়ি আদর্শ বাজারে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি নির্বাচন: সর্বোচ্চ ভোটে সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ। নারায়ণগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ সম্মাননা। নারায়ণগঞ্জে অবৈধভাবে সরকারি রাস্তা কাটায় পোশাক কারখানাকে ১লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা। সোনারগাঁওয়ে ২৮ মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেপ্তার।

নগর ভবন বন্ধ থাকলেও কোটি টাকার তেল খরচ: এই তেল গেল কোথায়?

banglar potro
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩০ বার পড়া হয়েছে

​বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন-কে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনের জেরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবন টানা ৪০ দিন বন্ধ ছিল। এই সময়ে অনেক কর্মকর্তা অফিসেই আসেননি, তবুও তাঁদের জন্য বরাদ্দকৃত গাড়িতে প্রতিদিন ১৪-১৫ লিটার করে জ্বালানি খরচ দেখানো হয়েছে।

​ডিএসসিসির নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, সংস্থাটির জ্বালানি খাতে প্রতি মাসে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়। মে এবং জুন মাসে নগর ভবন বন্ধ থাকলেও, এই ৪০ দিনে জ্বালানি খরচ স্বাভাবিক সময়ের মতোই ছিল। অথচ এই সময়ে কার্যত কোনো অফিসিয়াল কার্যক্রম চলেনি। বিশ্লেষকরা এটিকে কেবল অনিয়ম নয়, বরং জনগণের অর্থে সরাসরি দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হিসেবে দেখছেন।

​ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, যদি কেউ অফিস না করেও তেল ইস্যু করে থাকেন, তবে তা সম্পূর্ণ অন্যায়। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

গাড়ি চলেনি, তবু খরচ দেখানো হয়েছে

​চলতি বছরের ১৪ মে থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত নগর ভবনের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এই সময়ে ডিএসসিসির পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের-এর গাড়িটি প্রতিদিন ১৫ লিটার জ্বালানি খরচ করেছে বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, ৪০ দিনে এই গাড়িতে ৬০০ লিটার তেল খরচ দেখানো হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৬১ হাজার ২০০ টাকা।

​গাড়ির চালক কামরুল হাসান বলেছেন, আন্দোলনের সময় তারা প্রতিদিন গাড়ি নিয়ে বের হননি, প্রয়োজন হলে স্যারকে নিয়ে বের হয়েছেন। অথচ ডিএসসিসির পরিবহন বিভাগ জানায়, এই গাড়িটি প্রতি লিটার তেলে গড়ে ৮ কিলোমিটার চলে। সেই হিসাবে, প্রতিদিন ১২০ কিলোমিটার গাড়ি চলেছে বলে হিসাব দেখানো হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, নগর ভবন বন্ধ থাকার পরও এই দৈনিক ১২০ কিলোমিটার যাত্রা কোথায় হয়েছে?

​অন্যদিকে, প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান এই ৪০ দিনে প্রতিদিন ১৪ লিটার করে মোট ৫৬০ লিটার তেল নিয়েছেন, যার খরচ ৫৭ হাজার ১২০ টাকা। তিনি দাবি করেন, এই সময়ে তিনি ওয়াসা ভবন ও সচিবালয়ে অফিস করেছেন। তবে অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, এই সময়ে নিয়মিত অফিস চালানোর মতো কোনো অবকাঠামোই ছিল না।

কীভাবে হয় এই দুর্নীতি?

​ডিএসসিসির যান্ত্রিক বিভাগের তথ্যমতে, সংস্থাটির কর্মকর্তারা ৯১টি গাড়ি ও ১০১টি মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত গাড়ি মিলিয়ে মোট ৬১০টি যানবাহন রয়েছে। এসব যানবাহনের পেছনে শুধু জ্বালানি বাবদ বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়।

​কয়েকজন কর্মকর্তার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই জ্বালানির ব্যবহার বেশিরভাগই ‘কাগজে-কলমে’ হয়। অনেক কর্মকর্তা অফিসের কাজের বাইরে ব্যক্তিগত কাজেও সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন। তাই চালককে খুশি রাখতে অতিরিক্ত জ্বালানি ইস্যু করা হয়। পরে চালক সেই অতিরিক্ত তেল বিক্রি করে দেন এবং এর টাকা চালক ও তেল ইস্যুকারী কর্মকর্তার মধ্যে ভাগ হয়।

​ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “জনগণের অর্থের এমন আত্মসাৎ একটি বড় ধরনের অপরাধ। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের পাশাপাশি যারা এই অপরাধমূলক কার্যক্রমের অনুমোদন দিয়েছে, তাদের সবার দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের ওপর জোর দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
WordPress Repository WordPress Live NFT Cards Affiliates with VueJS WordPress Logos Showcase – Grid and Carousel WordPress Marketing Plugin – Sliding Messages WordPress Menu Plugin — Superfly Responsive Menu WordPress Merge Categories WordPress Meta Data & Taxonomies Filter WordPress Mobile Menu Bundle WordPress Movies Bulk Importer WordPress Multi-site Reports WordPress Multilingual All Import Addon

নগর ভবন বন্ধ থাকলেও কোটি টাকার তেল খরচ: এই তেল গেল কোথায়?

আপডেট সময় : ০৬:২৭:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

​বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন-কে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনের জেরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবন টানা ৪০ দিন বন্ধ ছিল। এই সময়ে অনেক কর্মকর্তা অফিসেই আসেননি, তবুও তাঁদের জন্য বরাদ্দকৃত গাড়িতে প্রতিদিন ১৪-১৫ লিটার করে জ্বালানি খরচ দেখানো হয়েছে।

​ডিএসসিসির নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, সংস্থাটির জ্বালানি খাতে প্রতি মাসে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়। মে এবং জুন মাসে নগর ভবন বন্ধ থাকলেও, এই ৪০ দিনে জ্বালানি খরচ স্বাভাবিক সময়ের মতোই ছিল। অথচ এই সময়ে কার্যত কোনো অফিসিয়াল কার্যক্রম চলেনি। বিশ্লেষকরা এটিকে কেবল অনিয়ম নয়, বরং জনগণের অর্থে সরাসরি দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হিসেবে দেখছেন।

​ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, যদি কেউ অফিস না করেও তেল ইস্যু করে থাকেন, তবে তা সম্পূর্ণ অন্যায়। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

গাড়ি চলেনি, তবু খরচ দেখানো হয়েছে

​চলতি বছরের ১৪ মে থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত নগর ভবনের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এই সময়ে ডিএসসিসির পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের-এর গাড়িটি প্রতিদিন ১৫ লিটার জ্বালানি খরচ করেছে বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, ৪০ দিনে এই গাড়িতে ৬০০ লিটার তেল খরচ দেখানো হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৬১ হাজার ২০০ টাকা।

​গাড়ির চালক কামরুল হাসান বলেছেন, আন্দোলনের সময় তারা প্রতিদিন গাড়ি নিয়ে বের হননি, প্রয়োজন হলে স্যারকে নিয়ে বের হয়েছেন। অথচ ডিএসসিসির পরিবহন বিভাগ জানায়, এই গাড়িটি প্রতি লিটার তেলে গড়ে ৮ কিলোমিটার চলে। সেই হিসাবে, প্রতিদিন ১২০ কিলোমিটার গাড়ি চলেছে বলে হিসাব দেখানো হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, নগর ভবন বন্ধ থাকার পরও এই দৈনিক ১২০ কিলোমিটার যাত্রা কোথায় হয়েছে?

​অন্যদিকে, প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান এই ৪০ দিনে প্রতিদিন ১৪ লিটার করে মোট ৫৬০ লিটার তেল নিয়েছেন, যার খরচ ৫৭ হাজার ১২০ টাকা। তিনি দাবি করেন, এই সময়ে তিনি ওয়াসা ভবন ও সচিবালয়ে অফিস করেছেন। তবে অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, এই সময়ে নিয়মিত অফিস চালানোর মতো কোনো অবকাঠামোই ছিল না।

কীভাবে হয় এই দুর্নীতি?

​ডিএসসিসির যান্ত্রিক বিভাগের তথ্যমতে, সংস্থাটির কর্মকর্তারা ৯১টি গাড়ি ও ১০১টি মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত গাড়ি মিলিয়ে মোট ৬১০টি যানবাহন রয়েছে। এসব যানবাহনের পেছনে শুধু জ্বালানি বাবদ বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়।

​কয়েকজন কর্মকর্তার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই জ্বালানির ব্যবহার বেশিরভাগই ‘কাগজে-কলমে’ হয়। অনেক কর্মকর্তা অফিসের কাজের বাইরে ব্যক্তিগত কাজেও সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন। তাই চালককে খুশি রাখতে অতিরিক্ত জ্বালানি ইস্যু করা হয়। পরে চালক সেই অতিরিক্ত তেল বিক্রি করে দেন এবং এর টাকা চালক ও তেল ইস্যুকারী কর্মকর্তার মধ্যে ভাগ হয়।

​ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “জনগণের অর্থের এমন আত্মসাৎ একটি বড় ধরনের অপরাধ। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের পাশাপাশি যারা এই অপরাধমূলক কার্যক্রমের অনুমোদন দিয়েছে, তাদের সবার দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের ওপর জোর দেন।